1. admin@cn24bd.com : admin :
  2. admin@admin.com : cn 24 bd : cn 24 bd
  3. editorAsad@gmail.com : Asaduzzaman Asad : Asaduzzaman Asad
  4. saju@gmail.com : Saju Azams : Saju Azams
  5. jaffreyalam@gmail.com : Jaffrey Alam : Jaffrey Alam
২১শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| রাত ১০:৪৬|
শিরোনাম :
নাম ঠিকানা কাগজপত্র বিহীন ভাবে দিনের পর দিন চলছে একটি মিষ্টি কারখানা  জমে উঠেছে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী গাবতলি পশুর হাট রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও কল্যাণপুরের বেশ কিছু বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন সিংগাইরে জিন্নত আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল গ্রেপ্তার রকেটের গতিতে বয়স বাড়িয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পপি ভারতের লোকসভার নির্বাচনের ফলাফল আজ সিংগাইরে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে খুন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে পুনঃরায় এ. কে. এম. সালাউদ্দিন টিপু বিজয়ী। নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আমাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই: কাদের পূর্বাচলে ঘুরতে নিয়ে পেট্রল ঢেলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা

অর্থ দিয়েও মেলেনি গর্ভবতীর কার্ড সিংগাইরে ইউপি সচিব ও মেম্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২২ মে, ২০২৪
  • ১০৮ Time View

রিপন মিয়া, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ অর্থ দিয়ে এক বছরেও মেলেনি গর্ভবতী মায়ের ভাতার কার্ড। তারপরেও আরো অতিরিক্ত অর্থ দাবীর অভিযোগ পাওয়া গেছে ইউপি সচিব ও মেম্বারের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্তদ্বয় হচ্ছেন, মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়ন পরিষদ সচিব সেলিম মোল্লা ও ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার আজাদ। মঙ্গলবার (২১ মে) ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ওই ইউনিয়নের আটকুড়িয়া গ্রামের সুজন টিকাদার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে প্রকাশ, গত ১ বছর আগে আটকুড়িয়া গ্রামের অন্তস্বত্ত্বা ঝুমা সরকার (২২) মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করেন। এ ঘটনায় তার দেবর সুজন টিকাদারকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে আজাদ মেম্বার ৩ হাজার টাকা ও পরবর্তীতে ইউপি সচিব সেলিম মোল্লা ২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। সর্বশেষ মঙ্গলবার (২০ মে) ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ইউপি সচিব সেলিম মোল্লার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কার্ড পেতে আরো ৭-৮ মাস সময় লাগবে বলে জানান। অভিযোগকারী সুজন টিকাদার বলেন, সচিব সেলিম মোল্লা ও আজাদ মেম্বার আমার গর্ভবতী ভাবীর কার্ড প্রদান না করে ৫ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন। জড়িতদের বিচার দাবী করেন তিনি।

ইউপি সচিব সেলিম মোল্লা বলেন, গত ডিসেম্বর মাসে যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে তার মাতৃত্বকালীন কার্ড চুড়ান্ত হয়েছে। কার্ড দেয়ার নামে কোনো টাকা পয়সা নেয়া হয়নি। আজাদ মেম্বার বলেন, গর্ভবতীর কার্ডের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ কুমার বসু বলেন,অভিযোগের কপি আমার কাছে এখনো আসেনি। গর্ভকালীন ভাতার কার্ড দেয়ার নামে টাকা নেয়ার বিষয়টি প্রমানিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© কপিরাইট ২০১৩-২০২৪ সিএন ২৪ নিউজ কারিগরি সহায়তায়❤️ ITDOMAINHOST.COM